স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

SUK

স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

২৬ মার্চ ২০২১ “চকরিয়া প্রবাসী ইউনিয়ন” আমিরাতের উদ্যোগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন , এস এম ফরহাদ কে সভাপতি ও ফোরকান উদ্দিন মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক করে আজমান কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। মহান স্বাধীনতা দিবসে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, পরিচিতি সভা ও কমিটি গঠন উপলক্ষে আজমানের নিউ পাক গাজী রেস্টুরেন্টে হলে মিজানুর রহমান বিন এনামের সভাপতিত্বে ও মোহাম্মদ সোহেলের সন্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মুহাম্মদ এহেসান ছৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ ।চকরিয়া প্রবাসীদের স্বতস্ফূর্ত ব্যপক উপস্থিতিতে আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠান এখন্ড চকরিয়া হয়ে উঠে ও আলোচনা সভা চকরিয়া প্রবাসীদের মিলন মেলায় পরিণত হয় ।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এস ,এম ফরহাদ উদ্দিন কে সভাপতি ও ফোরকান উদ্দিন মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০১ সদস্য বিশিষ্ট ” চকরিয়া প্রবাসী ইউনিয়ন” আজমান কমিটি ঘোষণা করা হয় ।সভায় আরও মূল্যবান বক্তব্য রাখেন দুবাই থেকে মুহম্মদ ইউনুস বাচ্চু, মুহাম্মদ সোলায়মান । মুহাম্মদ জসীম উদ্দিন, সোহেল মাহমুদ, জমির উদ্দিন,

সারজাহ থেকে ইমাম খতিব হাফেজ বেলাল উদ্দিন মনকির আলম , ইয়াছিন আরফাত , ইব্রাহিম, তরিকুল ইসলাম উম্মুল কুয়াইন থেকে ডাক্তার মাসুদ সরওয়ার । আমিনুল ইসলাম আজমান থেকে শহিদুল ইসলাম খোকন,মোঃ সোহেল,শহীদুলইসলাম শহিদ, শহীদুল ইসলাম দরবেশী, মিজানুর রহমান, কামাল উদ্দিন,আরমানুল ইসলাম,মোঃ শাহেদ , জসিম উদ্দিন ,মনজুর আলম,নুরুল আবচার, প্রমুখ । সভা শেষে উপস্থিত সকল অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

member of chakaria Probashi union
একটি দেশের সামাজিক সংগঠন তার উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং সামগ্রিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি কাঠামোগত সম্পর্ক, ভূমিকা এবং নিয়মগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে যা সমাজের মধ্যে ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীর মধ্যে মিথস্ক্রিয়া পরিচালনা করে। সামাজিক সংগঠনের গুরুত্ব বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তুলে ধরা যেতে পারে: সামাজিক সংহতি প্রচার: সামাজিক সংগঠন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকে আবদ্ধ করে এমন শেয়ার করা নিয়ম, মূল্যবোধ এবং ব্যবস্থা তৈরি করে ঐক্যকে উৎসাহিত করে। এটি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, জাতিগত বা সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে বোঝাপড়া এবং সহযোগিতার প্রচারের মাধ্যমে দ্বন্দ্ব কমাতে সাহায্য করে। একটি সুসংগঠিত সমাজ পরিবার, শিক্ষা ব্যবস্থা, ধর্মীয় সংস্থা এবং আইনি কাঠামোর মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কার্যকর শাসন নিশ্চিত করে। সামাজিক সংগঠন বিরোধ মীমাংসা এবং নিয়ম প্রয়োগের জন্য ব্যবস্থা প্রদান করে, যা শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। অর্থনৈতিক উন্নয়ন সক্ষম করা: এটি শ্রম বিভাজন এবং অর্থনৈতিক বিশেষীকরণকে সমর্থন করে, ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীকে নির্দিষ্ট ভূমিকার উপর ফোকাস করার অনুমতি দেয়, যার ফলে উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। সামাজিক নেটওয়ার্ক এবং সংস্থাগুলি প্রায়শই বাণিজ্য, উদ্ভাবন এবং সম্পদ ভাগ করে নেওয়ার সুবিধা দেয়, যা অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। ব্যক্তিগত কল্যাণে সহায়ক: সামাজিক সংগঠন, যেমন পরিবার, সম্প্রদায় এবং সহায়তা গোষ্ঠী, ব্যক্তিদের মানসিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং বস্তুগত সহায়তা প্রদান করে। তারা সঙ্কটের সময়ে নিরাপত্তা জাল হিসাবে কাজ করে, সদস্যদের বেঁচে থাকা এবং স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিত করে। পরিচয় এবং সম্পর্ক গঠন করা: সামাজিক সংগঠন ব্যক্তিদেরকে বৃহত্তর গোষ্ঠী, যেমন জাতিগত সম্প্রদায়, ধর্মীয় অনুষঙ্গ বা পেশাদার নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে পরিচয় এবং স্বত্বের অনুভূতি প্রদান করে।এটি ব্যক্তিদের সমাজের মধ্যে তাদের ভূমিকা এবং দায়িত্ব বুঝতে সাহায্য করে। অংশগ্রহণ ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করা: সামাজিক কাঠামো নাগরিকদের অংশগ্রহণ এবং জনজীবনে অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে, যাতে নাগরিকরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সামাজিক অগ্রগতিতে অবদান রাখে। শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো মানব পুঁজির বিকাশ ঘটায়, জাতীয় বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জ্ঞানকে লালন করে।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *